• ১৯ মাঘ ১৪৩২, শুক্রবার ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Vs New Zealand

খেলার দুনিয়া

ঈশান কোনে মেঘ দেখছেন সঞ্জু! তিরুঅনন্তপুরমে কিউয়িদের উড়িয়ে ৪-১ সিরিজ় জয় ভারতের

বিশ্বকাপের আগে বোলার ও ফিল্ডিংয়ের বাস্তব পরীক্ষা নিতে টস জিতে আগে বোলিং বেছে নিয়েছিলেন ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। শিশির বাড়লে অর্শদীপ সিংহ, বরুণ চক্রবর্তীরা রান সামলাতে পারেন কি না, সেটাই ছিল লক্ষ্য। কিন্তু পরিকল্পনার মাঝেই দৃশ্যপট বদলে দিলেন ঈশান কিশন। ব্যাট হাতে ঝড় তুলে তিরুঅনন্তপুরমে নিউ জ়িল্যান্ডকে ৪৬ রানে হারিয়ে ৪-১ ব্যবধানে টি-টোয়েন্টি সিরিজ় জিতে নিল ভারত।ভারত তোলে ৫ উইকেটে ২৭১ রানটি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ স্কোর। জবাবে কিউয়িদের ইনিংস থামে ১৯.৪ ওভারে ২২৫ রানে। ম্যাচে দুদল মিলিয়ে ওঠে ৪৯৬ রান ও ৩৬টি ছক্কাটি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে যা নতুন নজিরের শামিল।দুবছরের বেশি সময় পর জাতীয় দলে ফেরা ঈশান কিশন যেন প্রমাণ করতেই নেমেছিলেন। তিন নম্বরে নেমে ৪৩ বলে নিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক শতরান পূর্ণ করেন তিনি। ৬টি চার ও ১০টি ছক্কায় সাজানো ইনিংসে কিউয়ি বোলারদের কার্যত ছেলেখেলা বানান ঈশান। তাঁকে দুর্দান্ত সঙ্গ দেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। ৩০ বলে ৬৩ রানের ইনিংসে ৪টি চার ও ৬টি ছক্কা মারেন সূর্য। তৃতীয় উইকেটে দুজনে ৫৭ বলে ১৩৭ রানের বিধ্বংসী জুটি গড়েন।এর পর পাঁচ নম্বরে নেমে হার্দিক পাণ্ড্য করেন ১৭ বলে ৪২। শেষ দিকে রিঙ্কু সিংহ ও শিবম দুবে নামেন শুধু আনুষ্ঠানিকতা সারতে। কিউয়ি বোলারদের মধ্যে কিছুটা নিয়ন্ত্রিত ছিলেন লকি ফার্গুসন (৪১ রানে ২ উইকেট), বাকিরা ভারতীয় ব্যাটিং তাণ্ডবের সামনে অসহায় দেখিয়েছেন।লক্ষ্য তাড়ায় নিউ জ়িল্যান্ডের শুরুটা নড়বড়ে হলেও ফিন অ্যালেন (৩৮ বলে ৮০) এবং রাচিন রবীন্দ্র (১৭ বলে ৩০) লড়াই জিইয়ে রাখেন। অ্যালেন আউট হওয়ার পরই ভেঙে পড়ে কিউয়িদের ইনিংস। মাঝের ওভারগুলোতে উইকেট তুলে ম্যাচ ভারতের দিকে ঘুরিয়ে দেন অর্শদীপ ও অক্ষর পটেল।চাপের মুখে ড্যারেল মিচেল চেষ্টা করলেও একা কিছু করার ছিল না। শেষ পর্যন্ত ভারতের বোলারদের মধ্যে উজ্জ্বলতম পারফরম্যান্স অর্শদীপের৫১ রানে ৫ উইকেট। টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে এটাই তাঁর প্রথম পাঁচ উইকেট। অক্ষর নেন ৩৩ রানে ৩ উইকেট। হার্দিক কার্যকর হলেও বুমরাহ ও বরুণ প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হন, যা বিশ্বকাপের আগে ভাবনার জায়গা রেখে গেল।সব মিলিয়ে, ঈশানের শতরান আর অর্শদীপের পাঁচ উইকেটদুটোই একসঙ্গে এনে দিল ভারতের বড় জয় এবং আত্মবিশ্বাসী সিরিজ় সমাপ্তি।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ঈশান কোনে সূর্যোদয়! ব্যাটের তাপপ্রভাবে ঝলসে গেল কিউই স্বপ্ন, ২০৯ তাড়া করে ইতিহাস গড়ল ভারত

রায়পুরে এমন এক রাত দেখল ভারতীয় ক্রিকেট, যেখানে হার মানল সব সংশয়, উড়ে গেল প্রতিপক্ষের আত্মবিশ্বাস। শুরুটা ছিল ভয় ধরানোসাত বলের মধ্যেই দুই ওপেনারের বিদায়। স্টেডিয়াম তখন নিস্তব্ধ। ঠিক সেই মুহূর্তেই ব্যাট হাতে আগুন ধরালেন ঈশান কিশন ও অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব।২০৯ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম বলেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ধরা দিলেন ঈশান। বোলার, ফিল্ডারকাউকেই রেয়াত করেননি তিনি। মাত্র ২১ বলে অর্ধশতরান করে বুঝিয়ে দেন, বিশ্বকাপের দলে তাঁর থাকা অকারণ নয়। ৩২ বলে ৭৬ রানের বিধ্বংসী ইনিংসে ছিল ১১টি চার ও ৪টি ছক্কা। শতরান হাতছাড়া হলেও ম্যাচের রাশ তখন ভারতের দখলেই।এক প্রান্তে ঝড় তুললেও অন্য প্রান্তে ঠান্ডা মাথায় ইনিংস গড়ছিলেন সূর্যকুমার যাদব। ঈশান আউট হওয়ার পর পুরো দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন অধিনায়ক। ১৪ মাস পর অর্ধশতরান করে মাঠ ছুঁয়ে প্রণামসে দৃশ্যই বলে দিচ্ছিল, পুরনো সূর্য ফিরে এসেছেন। ৩৭ বলে ৮২ রানের ইনিংসে ৯ চার ও ৪ ছক্কায় নিউ জ়িল্যান্ডের বোলিং ভেঙে পড়ে।শেষের কাজটা আরও সহজ করে দেন শিবম দুবে। সূর্যের সঙ্গে তাঁর অর্ধশতরানের জুটি দেখে মনে হচ্ছিল, কে আগে ম্যাচ শেষ করবেন তার প্রতিযোগিতা চলছে। মাত্র ১৫.২ ওভারে ৭ উইকেটে ম্যাচ জিতে সিরিজে ২-০ এগিয়ে যায় ভারত। টি-টোয়েন্টির ইতিহাসে ২০০-র বেশি রান তাড়া করে এত বল বাকি থাকতে জয়ের নজির খুব কমই আছে।এর আগে ব্যাট করতে নেমে কিউইরা ২০ ওভারে ২০৮ রান করলেও তা যথেষ্ট হয়নি। রাচিন রবীন্দ্র ও মিচেল স্যান্টনার লড়াই চালালেও ভারতীয় ব্যাটিংয়ের দাপটে শেষ পর্যন্ত হার মানতে হয়। কুলদীপ যাদব বল হাতে গুরুত্বপূর্ণ দুটি উইকেট নেন।এই জয় শুধু সিরিজের লিড নয়, বিশ্বকাপের আগে আত্মবিশ্বাসের বড় বার্তা। দেশের মাটিতে এই ভারতকে হারানো যে কতটা কঠিন, রায়পুরে আবারও তা বুঝে গেল প্রতিপক্ষ।

জানুয়ারি ২৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

শর্মা-সিংহের যুগলবন্দি, নাগপুরে রানের বন্যা, নজিরের রাতে নিউ জ়িল্যান্ডকে উড়িয়ে সিরিজ়ে এগোল ভারত

নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ় শুরু করল দাপুটে জয় দিয়ে ভারত। নাগপুরে প্রথম ম্যাচে ব্যাটে-বলে সর্বাত্মক আধিপত্য দেখিয়ে ৪৮ রানে জয় তুলে নিল সূর্যকুমার যাদবের দল। এই ম্যাচে একাধিক নজির গড়ার পাশাপাশি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে শক্তিশালী বার্তাও দিয়ে রাখল টিম ইন্ডিয়া।টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন নিউ জ়িল্যান্ড অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার। তবে সেই সিদ্ধান্ত যে ভুল প্রমাণিত হতে চলেছে, তা বুঝিয়ে দেন ভারতীয় ব্যাটাররা শুরু থেকেই। আগ্রাসী মেজাজে ইনিংস শুরু করেন অভিষেক শর্মা ও সঞ্জু স্যামসন। যদিও সঞ্জু (১০) বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। দুবছরের বেশি সময় পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরা ঈশান কিশনও (৮) ব্যর্থ হন। ২৭ রানে দুই উইকেট হারিয়ে সাময়িক চাপে পড়ে ভারত।চাপের মুহূর্তে দায়িত্ব নেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ও অভিষেক শর্মা। অভিষেক শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন। অন্যদিকে সূর্য সংযত ব্যাটিং করে ইনিংস গুছিয়ে নেন। ২২ বলে ৩২ রানের ইনিংসে চারটি চার ও একটি ছক্কা মারেন সূর্যকুমার। এই ইনিংস তাঁর ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দেয়, যা বিশ্বকাপের আগে কোচ গৌতম গম্ভীরের জন্য নিঃসন্দেহে স্বস্তির।তবে ম্যাচের আসল নায়ক অভিষেক শর্মা। ৩৫ বলে ৮৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংসে নিউ জ়িল্যান্ডের বোলারদের কার্যত দিশেহারা করে দেন তিনি। তাঁর ব্যাট থেকে আসে ৫টি চার ও ৮টি ছক্কা। নিখুঁত টাইমিং, শক্তিশালী শট আর অনায়াস আগ্রাসনে তিনি প্রমাণ করে দেন, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে কেন তাঁকে অন্যতম ভয়ংকর ব্যাটার বলা হয়।অভিষেকের গড়া ভিতের উপর দাঁড়িয়ে ভারতের রান পাহাড়ে পরিণত করেন রিঙ্কু সিং। সাত নম্বরে নেমে ফিনিশারের ভূমিকায় ফের সাফল্য পেলেন কেকেআরের এই ব্যাটার। ২০ বলে অপরাজিত ৪৪ রানের ইনিংসে ৪টি চার ও ৩টি ছক্কা মারেন তিনি। তাঁর সঙ্গে হার্দিক পাণ্ড্যও (১৬ বলে ২৫) কার্যকর অবদান রাখেন। শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেটে ২৩৮ রান তোলে ভারতটি-টোয়েন্টিতে নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে যা ভারতের সর্বোচ্চ দলগত স্কোর। একই সঙ্গে এই ম্যাচে ১৪টি ছক্কা মারে ভারত, এটিও নতুন রেকর্ড। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৪৪তম বার ২০০-এর বেশি রান করল ভারতযা আর কোনও দলের নেই।লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় নিউ জ়িল্যান্ড। মাত্র ১ রানের মধ্যে দুই ওপেনার ডেভন কনওয়ে (০) ও রাচিন রবীন্দ্র (১) ফিরে যান। অর্শদীপ সিং ও হার্দিক পাণ্ড্যের নিখুঁত নতুন বলের স্পেলে কার্যত ম্যাচের শুরুতেই কোণঠাসা হয়ে পড়ে কিউয়িরা। টিম রবিনসন (২১) কিছুটা লড়াইয়ের চেষ্টা করলেও বরুণ চক্রবর্তীর বলে বিদায় নেন।এর পর গ্লেন ফিলিপ্স ও মার্ক চাপম্যান পাল্টা আক্রমণ শুরু করেন। বিশেষ করে ফিলিপ্সের ব্যাটিং ভারতীয় শিবিরে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি করে। ৪০ বলে ৭৮ রানের ইনিংসে তিনি ৪টি চার ও ৬টি ছক্কা মারেন। তবে অক্ষর পটেলের বলে ফিলিপ্স আউট হতেই ম্যাচ ফের ভারতের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। চাপম্যানও (৩৯) বরুণের শিকার হন।শেষদিকে ড্যারেল মিচেল (২৮) ও স্যান্টনার (২০) চেষ্টা করলেও প্রয়োজনীয় রান রেটের চাপ সামলাতে পারেননি। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৯০ রানেই থেমে যায় নিউ জ়িল্যান্ডের ইনিংস।ভারতের বোলারদের মধ্যে বরুণ চক্রবর্তী ৩৭ রানে ২ উইকেট নেন। শিবম দুবে ২৮ রানে ২ উইকেট নিয়ে সবচেয়ে সফল বোলার। অর্শদীপ ও হার্দিকও একটি করে উইকেট পান। তবে জসপ্রীত বুমরাহ প্রত্যাশামতো প্রভাব ফেলতে পারেননি। পাশাপাশি ফিল্ডিংয়ে একাধিক সহজ ক্যাচ ফসকে যাওয়া বিশ্বকাপের আগে কিছুটা চিন্তা বাড়াবে ভারতীয় শিবিরে।এই ম্যাচে একমাত্র অস্বস্তির কারণ অক্ষর পটেলের চোট। ফিল্ডিং করতে গিয়ে আঙুলে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাঁকে। বিশ্বকাপের আগে তাঁর ফিটনেস নিয়ে তৈরি হল নতুন প্রশ্নচিহ্ন।সব মিলিয়ে, ব্যাটিংয়ে আগ্রাসন, রেকর্ড গড়া স্কোর এবং গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বোলারদের সাফল্যে আত্মবিশ্বাসে ভরপুর ভারত। সিরিজ়ের শুরুতেই নিউ জ়িল্যান্ডকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে স্পষ্ট বার্তা দিয়ে রাখল সূর্যকুমারের দলটি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তারা যে ভয়ংকর প্রতিপক্ষ হতে চলেছে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

জানুয়ারি ২২, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

কিউয়ি বোলারকে নিয়ে বিরাট ছেলেখেলা! নতুন বছরে পুরনো মেজাজে কোহলি......

নতুন বছরেও পুরনো মেজাজে কোহলি, সাত কিউয়ি বোলারকে নিয়ে বিরাট ছেলেখেলা! প্রথম ম্যাচে ৪ উইকেটে জয় ভারতের। কোহলির দাপটে বডোদরায় জয়, নিউ জ়িল্যান্ডকে হারিয়ে সিরিজ়ে এগিয়ে ভারতবডোদরার নতুন স্টেডিয়ামে রোমাঞ্চকর লড়াইয়ের শেষে নিউ জ়িল্যান্ডকে ৪ উইকেটে হারিয়ে তিন ম্যাচের এক দিনের সিরিজ়ে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ভারত। শুভমন গিলের নেতৃত্বাধীন দলের এই জয়ের মূল কারিগর বিরাট কোহলি, যাঁর ব্যাট থেকে এল দায়িত্বপূর্ণ ও ম্যাচজয়ী ৯৩ রান।টস হারিয়ে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নিউ জ়িল্যান্ড নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে তোলে ৩০০ রান। ওপেনার ডেভন কনওয়ে ও হেনরি নিকোলস শুরুটা মজবুত করেন। প্রথম উইকেটে ১১৭ রানের জুটি গড়ে ম্যাচে দাপট দেখান দুজন। নিকোলস ৬২ এবং কনওয়ে ৫৬ রানের ইনিংস খেলেন। মাঝের ওভারে চার নম্বরে নামা ড্যারেল মিচেল একাই লড়াই চালিয়ে যান। ৭১ বলে ৮৪ রানের ঝকঝকে ইনিংসে নিউ জ়িল্যান্ডকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেন তিনি। শেষ দিকে ক্রিস্টিয়ান ক্লার্কের ঝোড়ো ব্যাটে কিউয়িরা পৌঁছয় ৩০০ রানে।ভারতের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন মহম্মদ সিরাজ ও প্রসিদ্ধ কৃষ্ণদুজনেই নেন ২টি করে উইকেট। হর্ষিত রানাও ২টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন। তবে চোটের কারণে ওয়াশিংটন সুন্দর পুরো কোটা শেষ করতে না পারায় ভারতীয় শিবিরে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হয়।৩০১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারত শুরুটা ভালো করলেও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি অধিনায়ক রোহিত শর্মা। তাঁর ব্যাট থেকে আসে ২৬ রান। শুভমন গিল ধীরে খেলেও দায়িত্ব নেন৭১ বলে করেন ৫৬ রান। তবে ইনিংসের আসল নিয়ন্ত্রণ নেন বিরাট কোহলি। চেনা ছন্দে, সাবলীল অথচ আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে একের পর এক বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ম্যাচ নিজের মুঠোয় নিয়ে আসেন তিনি।🗣️ If I look back at my whole journey, its nothing short of a dream come true. ✨🎥 Virat Kohli reflects on his incredible career after becoming the 2⃣nd highest run-getter in mens international cricket🙌👏#TeamIndia | #INDvNZ | @imVkohli | @idfcfirstbank pic.twitter.com/87BgcZlx4b BCCI (@BCCI) January 11, 2026এই ইনিংসেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২৮ হাজার রান পূর্ণ করেন কোহলি। পাশাপাশি কুমার সাঙ্গাকারাকে ছাপিয়ে সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক রান সংগ্রাহকদের তালিকায় উঠে আসেন দ্বিতীয় স্থানে। তাঁর সামনে এখন শুধুই সচিন তেন্ডুলকর।কোহলির সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন শ্রেয়স আয়ার। সহ-অধিনায়ক ৪৭ বলে ৪৯ রান করে দলের ভিত মজবুত করেন। তবে কোহলি আউট হওয়ার পর হঠাৎ ছন্দ হারায় ভারত। দ্রুত কয়েকটি উইকেট পড়ায় ম্যাচ জমে ওঠে। সেই সময় চাপের মুখে দায়িত্ব নেন লোকেশ রাহুল। শেষ দিকে হর্ষিত রানার সাহসী ২৯ রানের ইনিংস এবং রাহুলের অপরাজিত ২৯ রানে ৪৯ ওভারে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ভারত।নিউ জ়িল্যান্ডের হয়ে বল হাতে লড়াই চালান কাইল জেমিসন। ৪১ রানে ৪ উইকেট নিয়ে তিনি ভারতকে চাপে ফেললেও শেষরক্ষা করতে পারেননি কিউয়ি অধিনায়ক।সব মিলিয়ে কোহলির অভিজ্ঞতা, মাঝের ওভারের নিয়ন্ত্রিত ব্যাটিং এবং শেষের ঠান্ডা মাথার লড়াইয়ে জয় ছিনিয়ে নেয় ভারত। তবে জয়ের আনন্দের মাঝেই ওয়াশিংটন সুন্দরের চোট ভারতীয় শিবিরের চিন্তার কারণ হয়ে রইল।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

৫০-র লড়াইয়ে ফিরছেন শুভমন-শ্রেয়স, পিচ নিয়ে সংশয়ে ভারতীয় থিঙ্ক-ট্যঙ্ক

দক্ষিণ আফ্রিকা অধ্যায় শেষ। এবার ঘরের মাঠে নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে সাদা বলের নতুন পরীক্ষা ভারতের। রবিবার শুরু হচ্ছে তিন ম্যাচের এক দিনের সিরিজ়, যেখানে একাদশে একাধিক বদল প্রায় নিশ্চিত। চোট কাটিয়ে ফিরছেন অধিনায়ক শুভমন গিল ও সহ-অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। অন্য দিকে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতির কথা মাথায় রেখে এই সিরিজ়ে বিশ্রামে রাখা হয়েছে জসপ্রীত বুমরাহ ও হার্দিক পাণ্ড্যকে। ফলে নতুন কম্বিনেশনেই নামতে চলেছে ভারত।ওপেনিংয়ে বদলের ইঙ্গিত নেই। যশস্বী জয়সওয়াল ও রোহিত শর্মার বাঁহাতি-ডানহাতি জুটি এক দিনের ক্রিকেটে এখনও দলের সবচেয়ে ভরসার জায়গা। তিন নম্বরে বিরাট কোহলি অবধারিত। সাম্প্রতিক ঘরোয়া ক্রিকেটেও তাঁর ব্যাট যে কতটা ছন্দে, তা চোখে পড়ার মতো। চার নম্বরে ব্যাট করবেন শুভমন গিল। অধিনায়ক হিসেবে চাপ থাকলেও, এক দিনের ফরম্যাটে তাঁর ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন নেই। পাঁচ নম্বরে ফিরছেন শ্রেয়স আয়ার। অস্ট্রেলিয়া সফরের চোট কাটিয়ে দীর্ঘ বিরতির পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তন তাঁর। প্রস্তুতির অভাব নেই, তা বিজয় হজারে ট্রফিতেই বোঝা গেছে।মিডল অর্ডারে ছনম্বরে থাকবেন লোকেশ রাহুল। শেষ ম্যাচে খেলা রুতুরাজ গায়কোয়াড় ও তিলক বর্মার জায়গায় এই ম্যাচে অভিজ্ঞতাকেই বেছে নেওয়া হচ্ছে। সাত নম্বরে অলরাউন্ডারের ভূমিকায় রবীন্দ্র জাডেজানিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে যাঁর কার্যকারিতা নিয়ে কোনও দ্বিধা নেই টিম ম্যানেজমেন্টের।বোলিং আক্রমণে থাকবে চার বিশেষজ্ঞ। স্পিনে কুলদীপ যাদব, পেসে মহম্মদ সিরাজের জায়গা প্রায় পাকা। তাঁদের সঙ্গে দেখা যেতে পারে হর্ষিত রানা ও প্রসিদ্ধ কৃষ্ণকে। শেষ এক দিনের দলে থাকা অর্শদীপ সিংয়ের বদলে এই ম্যাচে সিরাজকে ফেরানো হচ্ছে বলেই ইঙ্গিত।প্রতিপক্ষকে হালকা করে দেখছে না ভারত। কিউয়ি শিবিরে ডেভন কনওয়ে, ড্যারেল মিচেল, গ্লেন ফিলিপস বা কাইল জেমিসনের মতো ম্যাচ-ঘোরানো ক্রিকেটার রয়েছেন। তার উপর ঘরের মাঠে টেস্ট সিরিজ় হারের স্মৃতি এখনও তাজা।আর একটি বড় প্রশ্ন বডোদরার নতুন কোটাম্বি স্টেডিয়ামের পিচ। এই মাঠে প্রথম এক দিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ। পিচের আচরণ এখনও অজানা। শিশিরের প্রভাবও থাকতে পারে। শনিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সেই অনিশ্চয়তার কথাই তুলে ধরেছেন শুভমন। সব মিলিয়ে টসের ভূমিকা বড় হয়ে উঠতে পারে। নতুন মাঠ, নতুন কম্বিনেশনরবিবারের ম্যাচে তাই চ্যালেঞ্জ যেমন আছে, তেমনই নিজেদের শক্তি যাচাইয়ের সুযোগও ভারতের সামনে।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

India vs New Zealand : ‌‌জোরে বোলার থেকে স্পিনার, আজাজকে দারুণ উপহার ভারতীয় দলের

ভারতের বিরুদ্ধে মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে জীবনের সেরা বোলিং করেছেন নিউজিল্যান্ডের আজাজ প্যাটেল। প্রথম ইনিংসে তুলে নিয়েছিলেন ১০ উইকেট। কিংবদন্তী স্পিনার জিম লেকার, অনিল কুম্বলের সঙ্গে এক আসনে বসিয়েছেন নিজেকে। নিউজিল্যান্ডের এই স্পিনারের কৃতিত্বকে কুর্ণিশ জানাল ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। সোমবার ম্যাচের শেষে ভারতীয় দলের পক্ষ থেকে ক্রিকেটারদের সই করা জার্সি উপহার দেওয়া হয় আজাজ প্যাটেলকে। বিসিসিআই টিভির পক্ষ থেকে ভারতীয় দলের স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন আজাজের সাক্ষাৎকারও নেন।টেস্টের দ্বিতীয় দিন অর্থাৎ শনিবার ভারতীয় ইনিংস শেষে যখন আজাজ প্যাটেলকে সামনে রেখে সাজঘরে ফিরছিল নিউজিল্যান্ড দল, গোটা স্টেডিয়াম উঠে দাঁড়িয়ে অভিবাদন জানিয়েছিল আজাজকে। আর এদিন ম্যাচ শেষে রবিচন্দ্রন অশ্বিন ভারতীয় দলের পক্ষ থেকে সতীর্থদের সই করা জার্সি আজাজের হাতে তুলে দেন। ভারতীয় দলের কাছ থেকে এইরকম উপহার পেয়ে আপ্লুত আজাজ। ইনিংসে ১০ উইকেট নেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটা শুধু আমার কাছে নয়, আমার স্ত্রী, আমার মাবাবা, পরিবারের কাছে বিশেষ মুহূর্ত। আমার কাছে অন্যতম স্মরণীয় দিন। এইরকম কৃতিত্ব স্থাপন করতে পারাটা আমার ক্রিকেটজীবনে দারুণ ব্যাপার। আমি সত্যিই ভাগ্যবান যে এইরকম কৃতিত্ব অর্জন করতে পেরেছি।You just cannot miss this 🗣️ 🎥@ashwinravi99 @AjazP in one frame 👍 👍Stay tuned for this folks ⌛Interview coming up soon on https://t.co/Z3MPyesSeZ#TeamIndia #INDvNZ @Paytm pic.twitter.com/mCzzMuQ7aZ BCCI (@BCCI) December 6, 2021মুম্বইয়েই জন্ম আজাজ প্যাটেলের। মুম্বইয়ের ক্রিকেট ময়দান তাঁর কাছে পরিচিত। ৭ বছর বয়সে বাবামার হাত ধরে নিউজিল্যান্ড পাড়ি দেন। স্বপ্ন দেখতেন ওয়াংখেড়েতে টেস্ট খেলার। অবশেষে সেই স্বপ্নপূরণ হয়েছে। রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় আজাজ প্যাটেল বলেন, এই ভারত সফরটা আমার কাছে অন্যরকম ছিল। একসময় স্বপ্ন দেখতাম ভারতে এসে ওয়াংখেড়েতে টেস্ট খেলব। সেই স্বপ্নপূরণ হয়েছে। আর সবথেকে বড় পাওনা এই ওয়াংখেড়েতেই ইতিহাসের পাতায় নাম লেখানো। আজাজ আরও বলেন, আমি নিজেকে ভাগ্যবান বলে মনে করব। ইশ্বরকে ধন্যবাদ দেব এইরকম কৃতিত্ব অর্জন করার সুযোগ দেওয়ার জন্য। দীর্ঘসময় ধরে এক জায়গায় বল রাখার পুরস্কার পেয়েছি। জোরে বোলার হিসেবে ক্রিকেটজীবন শুরু করেছিলেন আজাজ প্যাটেল। মাত্র ২ বছর আগে স্পিন করার দিকে মনোযোগ দেন। আর সেই স্পিন বোলিংই তাঁকে ইতিহাসে ঢুকিয়ে দিয়েছে। এই প্রসঙ্গে আজাজ প্যাটেল বলেন, নিউজিল্যান্ডের পরিবেশে সবাই জোরে বোলার হওয়ার চেষ্টা করে। আমি পেস বোলিং করতাম। কিন্তু ভাল জোরে বোলার হওয়ার জন্য যে উচ্চতা প্রয়োজন, তা আমার নেই। তাই মাত্র ২ বছর আগে স্পিন বোলিং করতে শুরু করি। দুবছরে কঠোর পরিশ্রম করে নিজেকে এই জায়গায় নিয়ে এসেছি।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs New Zealand Test : ‌৩৭২ রানে বড় জয় ভারতের, হেডলিকে টপকে গেলেন অশ্বিন

তৃতীয় দিনের খেলার শেষে ভারতের জয় ছিল শুধু সময়ের অপেক্ষা। নিউজিল্যান্ডকে দ্বিতীয় টেস্টে হারাতে চতুর্থ দিন ১ ঘন্টাও সময় লাগল না। মাত্র ৪৫ মিনিটের মধ্যেই কিউয়িদের ৫ উইকেট তুলে নিয়ে ৩৭২ রানে বড় জয় পেল ভারত। সিরিজ জয়ের পাশাপাশি একই সঙ্গে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম সংস্করণের ফাইনালে হারের মধুর প্রতিশোধ নিলেন বিরাট কোহলিরা। আগের দিনে নিউজিল্যান্ডের রান ছল ৪৫ ওভারে ৫ উইকেটে ১৪০। হেনরি নিকোলস ৩৬ এবং রাচিন রবীন্দ্র ২ রানে ক্রিজে ছিলেন। কিউয়িদের বাকি ৫ উইকেট তুলে নিতে ভারতীয় বোলারদের ১২ ওভারও লাগল না। মাত্র ১১.৩ ওভারেই এদিন বাকি ৫ উইকেট তুলে নেন দুই স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও জয়ন্ত যাদব। চতুর্থ দিন সকালে নিউজিল্যান্ডকে প্রথম ধাক্কা দেন জয়ন্ত যাদব। দিনের সপ্তম ওভারের পঞ্চম বলে রাচিন রবীন্দ্রকে তুলে নেন। ৫০ বলে ১৮ রান করে চেতেশ্বর পুজারার হাতে ক্যাচ দেন রাচিন। নিউজিল্যান্ডের রান তখন ১৬২। ১ ওভার পরেই সেই জয়ন্তর বলে লেগ বিফোর আউট হন কাইল জেমিসন (০)। ১ বলের ব্যবধানে টিম সাউদিকেও (০) তুলে নেন জয়ন্ত। উইলিয়াম সমারভিলেও (১) তাঁর শিকার। নিউজিল্যান্ডের শেষ উইকেট তুলে নেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। তাঁর বলে হেনরি নিকোলসকে (৪৪) স্টাম্পড করেন ঋদ্ধিমান সাহা। নিউজিল্যান্ড গুটিয়ে যায় ১৬৭ রানে। ৪৯ রানে ৪ উইকেট পান জয়ন্ত যাদব। ৩৪ রানে ৪ উইকেট রবিচন্দ্রন অশ্বিনের। দুই ইনিংস মিলিয়ে ৮ উইকেট নেওয়ায় এই বছরে টেস্টে অশ্বিনের উইকেট সংখ্যা ৫২। আর নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে ৬৬ উইকেট তুলে নিয়ে স্যার রিচার্ড হেডলিকে টপকে গেলেন অশ্বিন। আজাজ প্যাটেল এই টেস্টে ১৪ উইকেট পেলেও ম্যাচের সেরা হয়েছেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল।নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৩৭২ রানে বড় জয় পেলেও আইসিসির বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। ভারতের ঝুলিতে ৪২ পয়েন্ট। এই বছর দুটি সিরিজ মিলিয়ে ভারত এখনও পর্যন্ত খেলেছে ৬টি টেস্ট। ৩টিতে জয় এসেছে। ১টি হার। ২টি ড্র।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs New Zealand : ‌‌‌জিম লেকার, অনিল কুম্বলের কৃতিত্ব স্পর্শ আজাজ প্যাটেলের, তবু চালকের আসনে ভারত

জন্মভূমিতেই বল হাতে কামাল আজাজ প্যাটেলের। স্পর্শ করলেন জিম লেকার অনিল কুম্বলের কৃতিত্ব। এক ইনিংসে ১০ উইকেট নিয়ে অনন্য নজির গড়লেন নিউজিল্যান্ডের এই স্পিনার। তাঁর দাপটেই বড় রানের স্বপ্ন দেখেও নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৩২৫ রানে শেষ ভারত। আজাজের ১০ উইকেট সত্ত্বেও ম্যাচে অবশ্য চালকের আসনে বিরাট কোহলিরা। ব্যাট করতে নেমে মাত্র ৬২ রানে গুটিয়ে যায় কিউয়িদের ইনিংস। দ্বিতীয় দিনের শেষে ভারত দ্বিতীয় ইনিংসে তুলেছে কোনও উইকেট না হারিয়ে ৬৯। প্রথম দিনের ২২১/৪ রান হাতে নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করেছিল ভারত। মায়াঙ্ক আগরওয়াল ১২০ রানে ও ঋদ্ধিমান সাহা ২৫ রানে অপরাজিত ছিলেন। দিনের দ্বিতীয় ও নিজের প্রথম ওভারে পরপর দুবলে ঋদ্ধিমান (২৭) ও রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে (০) তুলে নেন আজাজ। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির সময় ভারতের রান ছিল ৯৮ ওভারে ২৮৫/৬। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর দ্বিতীয় ওভারেই মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে তুলে নেন আজাজ প্যাটেল। ৩১১ বলে ১৫০ রান করে উইকেটের পেছনে টম ব্লান্ডেলের হাতে ধরা পড়েন মায়াঙ্ক। ভারতের রান তখন ২৯১। অক্ষর প্যাটেল ১২৮ বলে ৫২ রান করে আজাজের বলেই লেগ বিফোর হন। জল্পনা চলছিল জিম লেকার ও অনিল কুম্বলের রেকর্ড স্পর্শ করতে পারবেন কিনা তা নিয়ে। শেষ পর্যন্ত জয়ন্ত যাদব (১২) ও মহম্মদ সিরাজকে (৪) ৩ বলের ব্যবধানে তুলে নিয়ে লেকার, কুম্বলেদের তালিকায় নিজের নাম লেখান আজাজ প্যাটেল। ৩২৫ রানে গুটিয়ে যায় ভারতের প্রথম ইনিংস। ৪৭.৫ ওভার বল করে ১১৯ রানে ১০ উইকেট নেন আজাজ প্যাটেল।নিউজিল্যান্ডও যে ওয়াংখেড়ের বাইশ গজে ভারতীয় বোলারদের সামনে দঁাড়াতে পারবে না, আজাজ প্যাটেলের বোলিংয়েই তার ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল। বাস্তবে তাইই ঘটে। মাত্র ৬২ রানে গুটিয়ে যায় নিউজিল্যান্ডের প্রথম ইনিংস। ভারতের বিরুদ্ধে এটাই কিউয়িদের সর্বনিম্ন রানের ইনিংস। তাছাড়া ভারতের মাটিতে টেস্টে এত কম রানে আর কোনও দল গুটিয়ে যায়নি। একসময় নিউজিল্যান্ডের রান ছিল ৬ উইকেটে ৩৮। জেমিসনের ১৭ রান নিউজিল্যান্ডকে ৬০ রানের গন্ডি পার করে দেয়। নিউজিল্যান্ডের হয়ে তিনিই সর্বোচ্চ রান করেন। তিনি ছাড়া দুঅঙ্কের রানে পৌঁছন ওপেনার টম লাথাম (১০)। রবিচন্দ্রন অশ্বিন ৮ রানে ৪ উইকেট নেন। মহম্মদ সিরাজ ১৯ রানে নেন ৩ উইকেট। অক্ষর প্যাটেল ১৪ রানে ২টি ও জয়ন্ত যাদব ১৩ রানে ১টি উইকেট পান। সুযোগ পেয়েও নিউজিল্যান্ডকে ফলো অন করাননি বিরাট কোহলি। প্রথম ইনিংসে ২৬৩ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামে ভারত। দ্বিতীয় দিনের শেষে কোনও উইকেট না হারিয়ে তুলেছে ৬৯। মায়াঙ্ক আগরওয়াল ৩৮ রানে ও চেতেশ্বর পুজারা ২৯ রানে ক্রিজে রয়েছেন। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত ৩৩২ রানে এগিয়ে হয়েছে ভারত।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs New Zealand : অক্ষরের ৫ উইকেট, স্পিনারদের দাপটে ম্যাচে ফিরল ভারত

দ্বিতীয় দিনের শেষে নিউজিল্যান্ডকে দেখে মনে হচ্ছিল করা চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দেবে ভারতকে। তৃতীয় দিনের প্রথম সেশনেও দারুণ ব্যাট করছিলেন টম লাথামরা। কিন্তু সময় যত গড়িয়েছে স্পিনারদের দাপটে ম্যাচে ফেরে ভারত। সৌজন্যে অক্ষর প্যাটেল।আগের দিনের বিনা উইকেটে ১২৯ রান নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে নিউজিল্যান্ড। শুরু থেকেই ভারতীয় স্পিনারদের দারুণ সামলাচ্ছিলেন দুই ওপেনার টম লাথাম ও উইল ইয়ং। নিউজিল্যান্ডকে প্রথম ধাক্কা দেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। ৬৬.১ ওভারে উইল ইয়ংয়ের বিরুদ্ধে ওঠা কট বিহাইন্ডের জোরালো আবেদনে সাড়া দেননি আম্পায়ার নীতীন মেনন। ঋদ্ধিমান সাহার পরিবর্ত হিসেবে উইকেটকিপিং করতে নামা শ্রীকার ভরতের পরামর্শে রিভিউ নেন অজিঙ্কা রাহানে। রিভিউতে দেখা যায় অশ্বিনের বল ইয়ংয়ের ব্যাট ছুঁয়ে কিপারের হাতে জমা পড়েছে। ২১৪ বলে ৮৯ রানে আউট হন উইল ইয়ং। নিউজিল্যান্ডের রান তখন ১৫১।এরপর দলকে টানছিলেন টম লাথাম ও অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। দলের ১৯৭ রানের মাথায় উমেশ যাদবের বলে লেগ বিফোর হন কিউয়ি অধিনায়ক। ৬৪ বল খেলে ১৮ রান করেন তিনি। এরপরই শুরু হয় ভারতীয় স্পিনারদের দাপট। অক্ষর প্যাটেলের স্পিনের সামনে দিশেহারা হয়ে পড়েন নিউজিল্যান্ডের ব্যাটাররা। এক ওভারের ব্যবধানে রস টেলর (১১) ও হেনরি নিকোলসকে (২) তুলে নেন অক্ষর প্যাটেল। দুরন্ত ব্যাট করতে থাকা টম লাথামও তাঁর শিকার। ২৮২ বলে ৯৫ রান করে অক্ষরের বলে স্টাম্পড হন লাথাম। নিউজিল্যান্ডের রান তখন ২২৭/৫। লাথাম আউট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিউজিল্যান্ডের বড় রানের ইনিংসের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়। টম ব্ল্যান্ডেল (১৩), টিম সাউদিকে (৫) তুলে নিয়ে ৫ উইকেট পূর্ন করেন অক্ষর প্যাটেল। ২৭০ রানে ৮ উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড। এরপর বেশিক্ষণ লড়াই জারি রাখতে পারেনি কিউয়িরা। ২৯৬ রানে গুটিয়ে যায় নিউজিল্যান্ডের ইনিংস। শেষ দুটি উইকেট তুলে নেন অশ্বিন। ৮২ রানে ৩ উইকেট নেন তিনি। অন্যদিকে, ৬২ রানে ৫ উইকেট নেন অক্ষর প্যাটেল।৪৯ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় ভারত। দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই শুভমান গিলকে তুলে নেন কাইল জেমিসন। মাত্র ১ রান করে বোল্ড হন শুভমান। তৃতীয় দিনের শেষে ভারত তুলেছে ১৪/১। দুই ইনিংস মিলিয়ে এগিয়ে রয়েছে ৬১ রানে।

নভেম্বর ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Wriddhiman Saha : কানপুরেই জীবনের শেষ টেস্ট খেলে ফেললেন ঋদ্ধিমান?

কানপুরেই কি জীবনের শেষ টেস্ট খেলে ফেললেন ঋদ্ধিমান সাহা? প্রশ্নটা ইতিমধ্যেই উঠতে শুরু করেছে। যদি শেষ পর্যন্ত এমন ঘটনা ঘটে, তাহলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। ভবিষ্যৎ কিন্তু সেই দিকেই এগোচ্ছে। জল্পনা তৈরি হয়েছে কানপুরে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিন উইকেটকিপিং করতে না নামায়।বিশ্বের সব দেশই অলরাউন্ডার উইকেটকিপার দলে নিতে চায়। অর্থাৎ উইকেটকিপিংয়ের পাশাপাশি ব্যাট হাতেও যিনি দলকে ভরসা দিতে পারবেন। উইকেটের পেছনে গ্লাভস হাতে ঋদ্ধিমানের দক্ষতা প্রশ্নাতীত। কিন্তু ব্যাটিংয়ে অনেকটাই পিছিয়ে। ব্যাটিংয়ের জন্যই ঋষভ পন্থ নির্বাচকদের আস্থা অর্জন করে নিয়েছেন। ঋদ্ধিমানকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছেন শ্রীকার ভরত, ঈশান কিষাণরা। ঋষভ পন্থকে নির্বাচকরা বিশ্রাম দেওয়ায় নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলার সুযোগ পেয়েছেন ঋদ্ধিমান। কিন্তু ব্যাট হাতে দলকে একেবারেই ভরসা দিতে পারেননি। গত বছর ডিসেম্বরে অ্যাডিলেডে শেষ টেস্ট খেলেছিলেন ঋদ্ধিমান। অস্ট্রেলিয়ার কাছে ভারত সেই ম্যাচে পরাজিত হওয়ার পর ঋষভ পন্থ টেস্ট দলে সুযোগ পেয়ে জায়গা পাকা করে নেন। টেস্ট দল থেকে বাদ পড়ার পর ঘরোয়া ক্রিকেট কিংবা আইপিএলেও দাগ কাটতে পারেননি ঋদ্ধি।ঘাড়ে যন্ত্রণার জন্য নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে কানপুরে প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিন মাঠে নামতে পারেননি ঋদ্ধিমান। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে এদিন খেলা শুরুর আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়, ঘাড়ে টান ধরায় ঋদ্ধি আজ খেলতে পারবেন না। মেডিক্যাল টিম তাঁর চিকিৎসা করছে। ঋদ্ধির পরিবর্তে উইকেটকিপিং করছেন কেএস ভরত।১৯৪৬ সালের পর সবচেয়ে বেশি বছরের উইকেটকিপার হিসেবে টেস্ট খেলছেন ঋদ্ধিমান। কানপুর টেস্টের প্রথম দিন ঋদ্ধির বয়স ছিল ৩৭ বছর ৩২ দিন। ফারুখ ইঞ্জিনিয়ার ৩৬ বছর ৩৩৮ দিনের মাথায় নিজের শেষ টেস্ট খেলতে নেমেছিলেন। ঋদ্ধি ইঞ্জিনিয়ারের রেকর্ড টপকালেন। তবে ভারতীয়দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বয়সের উইকেটকিপার হিসেবে টেস্ট খেলার রেকর্ডটি দখলে রয়েছে দত্তরাম হিন্দেলকরের। তিনি শেষ টেস্ট খেলেছিলেন ৩৭ বছর ২৩১ দিন। এই সিরিজের পর ঋদ্ধিমান যদি অবসর নেন, তাহলে দত্তরাম হিন্দেলকরের রেকর্ডটিও অক্ষত থাকবে। অবসর না নিলেও ঋদ্ধির দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাওয়া কঠিন।/p

নভেম্বর ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs NZ Test : শ্রেয়স আয়ারের অভিষেকে সেঞ্চুরি সত্ত্বেও কেন চাপে ভারত?

নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে ভারতকে বড় রানের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন শ্রেয়স আইয়ার ও রবীন্দ্র জাদেজা। কিন্ত দ্বিতীয় দিন লাঞ্চের পর ৩৪৫ রানে শেষ হয়ে যায় ভারতের ইনিংস। ভারতকে চাপে ফেলে ম্যাচের রাশ শক্ত হাতে ধরল বিশ্বের ১ নম্বর টেস্ট দল তথা টেস্টের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন নিউজিল্যান্ড। শ্রেয়স আয়ারের টেস্ট অভিষেকে সেঞ্চুরি সত্ত্বেও নিউজিল্যান্ডকে ম্যাচে ফেরালেন টিম সাউদি। আর ভারতকে চাপে ফেলার দুই কারিগর টম লাথাম ও উইল ইয়ং।আগের দিনের ৪ উইকেটে ২৫৮ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে ভারত। ৭৫ রান করে অপরাজিত ছিলেন শ্রেয়স আয়ার। ৫০ রানে ক্রিজে ছিলেন রবীন্দ্র জাদেজা। লাঞ্চের সময় ভারতের রান ছিল ৩৩৯/৮। এদিন কোনও রান না করেই আউট হন রবীন্দ্র জাদেজা। ২৬৬ রানে পঞ্চম উইকেট পড়ার পর ২৮৮ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারায় ভারত। ঋদ্ধিমান সাহা ১২ বলে ১ রান করলেন। সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে না পারায় নিউজিল্যান্ড সিরিজই ঋদ্ধিমানের শেষ আন্তর্জাতিক সিরিজ হতে চলেছে কিনা সেই জল্পনা জোরালো হলো। ঋদ্ধিমানের পর শ্রেয়স আয়ারকেও আউট করেন সাউদি। ২৬৭ মিনিট ক্রিজে কাটিয়ে ১৭১ বলে ১০৫ রান করেন শ্রেয়স আয়ার। ১৩টি চার ও দুটি ছয় মেরেছেন। ৯৬.১ ওভারে ভারতের সপ্তম উইকেট পড়ে ৩০৫ রানে।৯৯তম ওভারের শেষ বলে অক্ষর প্যাটেল সাউদির পঞ্চম শিকার। তিনি করেন তিন। টিম সাউদি ২৭.৪ ওভারে ৬টি মেডেন-সহ ৬৯ রানের বিনিময়ে ৫ উইকেট নেন। ভারত প্রথম ইনিংসে তোলে ৩৪৫। ভারত শেষ ৬টি উইকেট হারায় ৮৭ রানে।দ্বিতীয় দিনেও পিচে কোনও জুজু ছিল না তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেন নিউজিল্যান্ডের ওপেনাররা। দ্বিতীয় দিনের শেষে ভারতের প্রথম ইনিংসে ৩৪৫ রানের জবাবে ৫৭ ওভার খেলে নিউজিল্যান্ড তুলেছে বিনা উইকেটে ১২৯ রান। দিনের শেষে লাথাম ১৬৫ বলে ৫০ রানে অপরাজিত রয়েছেন। উইল ইয়ং অপরাজিত রয়েছেন ১৮০ বলে ৭৫ রান করে। বেশ কিছু দৃষ্টিনন্দন ড্রাইভ শট দেখা গিয়েছে ইয়ংয়ের ব্যাট থেকে। স্যুইপের সঙ্গে লেগ ফ্লিক মেরে স্পিনারদের সামলেছেন লাথাম।

নভেম্বর ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs NZ Test : অভিষেকেই দুরন্ত ব্যাটিং, বৃত্ত সম্পূর্ণ হল শ্রেয়স আয়ারের

২০১৭ সালে অস্ট্রেলিয়া সিরিজে প্রথম ভারতীয় টেস্ট দলে ডাক পেয়েছিলেন শ্রেয়স আয়ার। বিরাট কোহলি না থাকায় তাঁর পরিবর্তে শ্রেয়সকে দলে রেখেছিলেন নির্বাচকরা। সেই সিরিজে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন অজিঙ্কা রাহানে। যদিও টেস্ট অভিষেক হয়নি শ্রেয়সের। এবারও বিরাট কোহলি বিশ্রাম নেওয়ায় সুযোগ পেয়েছেন শ্রেয়স। নেতা সেই অজিঙ্কা রাহানে। তবে এবার আর রিজার্ভ বেঞ্চে বসে থাকতে হয়নি শ্রেয়সকে। সুযোগ পেয়েই অভিষেক টেস্টে দুরন্ত অর্ধশতরান। তাঁর দুরন্ত অর্ধ শতরানের সুবাদে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম দিনের শেষে ভাল জায়গায় ভারত।কানপুরের উইকেট বরাবরই স্পিন সহায়ক। চতুর্থ ইনিংসে ব্যাট করা কঠিন হবে। এই কথা মাথায় রেখে টস জিতে ভারত এদিন প্ৰথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। অজিঙ্কা রাহানের লক্ষ্য ছিল প্রথম ইনিংসে বড় রান তুলে নিউজিল্যান্ডকে চাপে ফেলা। সেই লক্ষ্যের পথে ধীরে ধীরে এগিয়ে চলেছে ভারত। এদিন প্রথম সেশনে একটি, দ্বিতীয় সেশনে তিনটি উইকেট পড়লেও, তৃতীয় সেশনের পর আর কোনও উইকেট হারায়নি ভারতীয় দল। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির আগে ভারতের স্কোর ছিল ২৯ ওভারে ১ উইকেটে ৮২।ভারত এদিন প্রথমে হারায় ময়াঙ্ক আগরওয়ালের উইকেটে । ১৩ রান করে কাইল জেমিসনের বলে তিনি কট বিহাইন্ড হন। লাঞ্চের পর প্রথম ওভারের শেষ বলে শুভমান গিলকে বোল্ড করেন জেমিসন। ৯৩ বলে ৫২ রান করেন গিল। নিজস্ব ভঙ্গীতে ২ ঘণ্টার বেশি ক্রিজে থেকে ৮৮ বল খেলে ২৬ রানে টিম সাউদির ওভারে কট বিহাইন্ড হন চেতেশ্বর পূজারা। ১০৬ রানে ভারত যখন তিন উইকেট হারিয়েছে তখন ব্যাট করতে নামেন শ্রেয়স। তিনি ও রাহানে দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন। অজিঙ্ক রাহানে ৬৩ বলে ৩৫ রান করার পর কাট শট মারতে গেলে বল তাঁর ব্যাটে লেগে উইকেট ভেঙে দেয়। রাহানে জেমিসনের তৃতীয় শিকার।রাহানে ফিরে যাওয়ার পর রবীন্দ্র জাদেজা ও শ্রেয়স আয়ার দলকে টেনে নিয়ে যান। এই দুই ব্যাটারের দুরন্ত অর্ধ শতরান দলকে মজবুত জায়গায় পৌঁছে দেয়। প্রথম দিনে আলোর অভাবে খেলা বন্ধের সময় ভারতের স্কোর ৪ উইকেটে ২৫৮ রান। সাতটি চার ও দুটি ছয়ের সাহায্যে ১৩৬ বলে ৭৫ রান করে অপরাজিত শ্রেয়স আইয়ার। ১০০ বলে ৫০ রানে ক্রিজে রবীন্দ্র জাদেজা। তাঁদের অবিচ্ছেদ্য পঞ্চম উইকেট জুটিতে উঠেছে ১১৩ রান। অভিষেক টেস্টে শতরানের দিকে এগোচ্ছেন শ্রেয়স আইয়ার, দরকার আর ২৫। রবীন্দ্র জাদেজা এদিন কেরিয়ারের ১৭তম অর্ধশতরান পূর্ণ করেছেন। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে নটিংহ্যামে প্রথম টেস্টে ৫৬ রান করার পর এদিন ফের টেস্ট হাফ সেঞ্চুরি পেলেন জাদেজা।

নভেম্বর ২৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs New Zealand : ‌‌কিউয়িদের হোয়াইট ওয়াশ করে বিশ্বকাপের ক্ষতে প্রলেপ ভারতের

জয়পুর ও রাঁচিতে পরপর দুটি একদিনের ম্যাচ জিতে সিরিজ আগেই দখল করে নিয়েছিল ভারত। ইডেনে নিয়মরক্ষার ম্যাচে ছিল নিউজিল্যান্ডকে হোয়াইট ওয়াশ করার হাতছানি। লক্ষ্যে সফল রোহিত ব্রিগেড। সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে ৭৩ রানে জিতে কিউয়িদের হোয়াইট করার পাশাপশি বিশ্বকাপের পরাজয়ের মধুর প্রতিশোধ নিল ভারত। ইডেনে আবার ব্যাট হাতে জ্বলে উঠলেন রোহিত শর্মা।টস জিতে এদিন প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন রোহিত। লোকেশ রাহুল ও রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে বিশ্রাম দিয়ে ভারত এই ম্যাচে প্রথম একাদশে নিয়ে আসে ঈশান কিষাণ ও যুজবেন্দ্র চাহালকে। ওপেন করতে নেমে আগ্রাসী ব্যাটিং শুরু করেন রোহিত ও কিষাণ। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ওঠে ৬৯ রান। ১১ ওভারে ভারতের ১০০ রান পূর্ণ হয়। ১৭.৩ বলে হয় দেড়শো। সপ্তম ওভারে ওপেনিং জুটি ভাঙেন মিচেল স্যান্টনার। এই ওভারের দ্বিতীয় বলে ঈশান কিষাণ কট বিহাইন্ড হন। ৬টি চারের সাহায্যে তিনি করেন ২১ বলে ২৯। একই ওভারে সূর্যকুমার যাদব শূন্য রান করে আউট হন। নবম ওভারের শেষ বলে উইকেট ছুড়ে দিয়ে আসেন ঋষভ পন্থ। ৬ বলে ৪ রান করে তিনিও স্যান্টনারের শিকার। ভারতের তৃতীয় উইকেটটি পড়ে ৮৩ রানে।১১.২ ওভারে রোহিত শর্মাকে (৩১ বলে ৫৬) নিজের বলেই দুরন্ত ক্যাচে ফেরান ইশ সোধি। এরপর শ্রেয়স আইয়ার ও ভেঙ্কটেশ আইয়ার দলের ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন। ১৫.৫ ওভারে ভেঙ্কটেশ ট্রেন্ট বোল্টের বলে আউট হন দলের ১৩৯ রানের মাথায়। একটি চার ও একটি ছয়ের সাহায্যে তিনি ১৫ বলে ২০ রান করে ফেরেন। শ্রেয়সকে আউট করেন অ্যাডাম মিলনে। ২০ বলে ২৫ রান করেন তিনি। ১৮.৩ ওভারে হর্ষল প্যাটেল লকি ফার্গুসনের বলে হিট উইকেট হন। হর্ষল এদিন ২টি চার ও একটি ছয়ের সাহায্যে করলেন ১১ বলে ১৮। ২০ ওভারে ভারত তোলে ১৮৪/৭।এমনিতেই সিরিজ খুঁইয়ে মনোবল ভেঙে পড়েছিল নিউজিল্যান্ডের। তার ওপর বিশাল রানের চাপ নিতে পারেনি। রোহিত এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাট নিয়ে দেখে নিতে চেয়েছিলেন বোলাররা কতটা শিশিরের চ্যালেঞ্জ নিতে পারেন। অক্ষর প্যাটেল, হর্ষল প্যাটেলরা হতাশ করেননি ক্যাপ্টেনকে। অক্ষরের দুরন্ত বোলিংয়ের সামনে ভেঙে পড়ে কিউয়ি ব্যাটংয়ের মেরুদন্ড। ৩ ওভারে ৯ রানে ৩ উইকেট তুলে নেন তিনি। ২৬ রানে ২ উইকেট নেন হর্ষল প্যাটেল। ১৭.২ ওভারে মাত্র ১১১ রানে গুটিয়ে যায় নিউজিল্যান্ডের ইনিংস। কিছুটা লড়াই করেন মার্টিন গাপটিল। ৩৬ বলে ৫১ রান করেন তিনি।

নভেম্বর ২১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs New Zealand : ‌ইডেনে দ্রাবিড়, টিকিটের হাহাকার, কলোবাজারি তুঙ্গে

রোহিত শর্মার পয়া মাঠ ইডেন। ক্রিকেটের নন্দনকানন কখনও খালি হাতে ফেরায়নি তঁাকে। একদিনের ক্রিকেটে মহাকাব্যিক ২৬৪ রানের ইনিংসও সেই ইডেনে। রবিবার এই প্রিয় ইডেনেই নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি২০ সিরিজ ৩০ করার লক্ষ্যে মাঠে নামছে রোহিতের ভারত। জয়পুর ও রাঁচিতে পরপর দুটি ম্যাচ জিতে সিরিজ ইতিমধ্যেই পকেটে ভরে ফেলেছে ভারত। তৃতীয় ম্যাচে প্রথম একাদশে কয়েকটা পরিবর্তন করতে চায় ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। তবে তা ভারসাম্যের কথা মাথায় রেখেই। কারণ হোয়াইট ওয়াশের কথাটা মাথায় রাখতে হচ্ছে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টকে। কিউয়িদের বিরুদ্ধে ৩০ ব্যবধানে জিতলে তবেই টি২০ বিশ্বকাপের ক্ষত কিছুটা হলেও নিরাময় হবে। রাঁচিতে ম্যাচ খেলে শনিবার দুই দলই কলকাতা পৌঁছনোর অনুশীলনের কোনও ব্যাপার ছিল না। তবে হোটেলে পৌঁছেই ব্যাটিং কোচ বিক্রম রাঠোরকে সঙ্গে নিয়ে ইডেনে চলে এসেছিলেন হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড়। উইকেট দেখে যান। কথা বলেন ইডেনের পিচ কিউরেটর সুজন মুখার্জির সঙ্গে। ইডেনের বাইশ গজ, মাঠে কেমন শিশির পড়ছে, এসব বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজ নেন। ইডেনের উইকেট দেখে খুশি ভারতীয় দলের হেড কোচ। সিরিজ আগেই জিতে যাওয়ায় ইডেনে শেষ ম্যাচে নতুনদের দেখে নেওয়ার পরিকল্পনা ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের। ওপেনিংয়ে লোকেশ রাহুলকে বিশ্রাম দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের অভিষেক হতে পারে। ভুবনেশ্বর কুমার কিংবা দীপক চাহারের পরিবর্তে আবেশ খানকে খেলানো হতে পারে। প্রথম একাদশে ঢুকতে পারেন যুজবেন্দ্র চাহাল। অক্ষর প্যাটেলকে বসানো হতে পারে। ঋষভ পন্থের জায়গায় ঈশান কিষাণের খেলার সম্ভাবনাও রয়েছে। তবে ভারসাম্যের কথাও মাথায় রাখতে হচ্ছে ভারতীয় টিইম ম্যানেজমেন্টকে।সিরিজের ফয়সালা হয়ে গেলেও টিকিট নিয়ে হাহাকার। করোনার জন্য পুলিশ ৭০ শতাংশ দর্শক মাঠে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে। কাউন্টার থেকে কোনও টিকিট বিক্রি হয়নি। যা টিকিট বিক্রি করা হয়েছে, সবই অনলাইনে। ফলে টিকিটের চাহিদা আরও বেড়েছে। ময়দানে কালোবাজারে টিকিট বিক্রি হচ্ছে। ৬৫০ টাকার টিকিট দেড়হাজারে। দেড় হাজার টাকার টিকিট ২৫০০ টাকায়। এমনকি মেম্বারশিপ, কমপ্লিমেন্টারি টিকিটও কালোবাজারে বিক্রি হচ্ছে। কালোবাজারির দায়ে এদিন সাতজনকে আটক করেছে ময়দান থানার পুলিশ।

নভেম্বর ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs NZ T20 : বিশ্বকাপের ব্যর্থতা কটিয়ে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ জয় ভারতের

দায়িত্ব পেয়েই প্রথম টি২০ সিরিজেই রোহিত শর্মারাহুল দ্রাবিড় জুটির কামাল। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি২০ সিরিজের প্রথম ম্যাচে জয়পুরে জয় এসেছিল। শুক্রবার রাঁচিতে কিউয়িদের ৭ উইকেটে উড়িয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই টি২০ সিরিজ জিতে নিল ভারত। দেশের জার্সি গায়ে মাঠে নেমে প্রথম ম্যাচেই চমক দেখালেন হর্শল প্যাটেল। ডেথ ওভারে দুরন্ত বোলিং এই জোরে বোলারের। ব্যাট হাতে আবার জ্বলে উঠলেন রোহিত শর্মা। দ্বিতীয় ম্যাচেও টস ভাগ্য সহায় ছিল রোহিত শর্মার। টসে জিতে কিউয়িদের ব্যাট করতে পাঠান। ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আগ্রাসী ব্যাটিং শুরু করেন মার্টিন গাপটিল। তাঁকে যোগ্য সঙ্গত দেন ড্যারিল মিচেল। ভুবনেশ্বর কুমারের প্রথম ওভারেই ১৪ রান নেন গাপটিল। দীপক চাহারের দ্বিতীয় ওভারে ১০ রান নেন ড্যারিল মিচেল। পরের ওভারে অক্ষর প্যাটেল কিছুটা কৃপণ বোলিং করলেও চতুর্থ ওভারে ভুবনেশ্বর ১৪ রান দেন। ক্রমশ বিধ্বংসী হয়ে উঠছিলেন মার্টিন গাপটিল। পঞ্চম ওভারে ভারতকে ব্রেক থ্রু এনে দেন দীপক চাহার। ১৫ বলে ৩১ রান করে তাঁর বলে উইকেটের পেছনে ঋষভ পন্থের হাতে ক্যাচ দেন গাপটিল। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান চ্যাপম্যান ও মিচেল। ১৭ বলে ২১ রান করে অক্ষর প্যাটেলের বলে আউট হন চ্যাপম্যান। অভিষেক ম্যাচেই ড্যারিল মিচেলে (২৮ বলে ৩১) তুলে নিয়ে দেশের হয়ে প্রথম উইকেট সংগ্রহ করেন হর্ষল প্যাটেল। মিচেল যখন আউট হন, নিউজিল্যান্ডের রান তখন ১১.২ ওভারে ৯০/৩। এই সময় মনে হচ্ছিল ১৭০১৮০ কাছাকাছি রান তুলে ফেলবে নিউজিল্যান্ড। কিন্তু রবিচন্দ্রন অশ্বিল, ডেথ ওভারে হর্ষল প্যাটেলের দুরন্ত বোলিংয়ে ২০ ওভারে ১৫৩/৬ রানে আটকে যায় নিউজিল্যান্ড। পরের দিইলে গ্লেন ফিলিপ ২১ বলে ৩৪ রান করেন। ভারতের হয়ে হর্ষল প্যাটেল ২৫ রানে ২টি, অশ্বিন ১৯ রানে ১টি উইকেট পান। ভুবনেশ্বর কুমার, দীপক চাহার, অক্ষর প্যাটেলও ১টি করে উইকেট নেন। ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ঝড় তোলেন ভারতের দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও রোহিত শর্মা। ওপেনিং জুটিতেই ওঠে ১১৭। লোকেশ ও রোহিতই ভারতের জয়ের ভিত গড়ে দেন। ১৪ তম ওভারের দ্বিতীয় বলে লোকেশ রাহুলকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন টিম সাউদি। ৬টি ৪ ও ২টি ছয়ের সাহায্যে ৪৯ বলে ৬৫ রান করে আউট হন লোকেশ রাহুল। ১৬ তম ওভারে রোহিতকেও তুলে নেন সাউদি। ৩৬ বলে ৫৫ রান করে আউট হন রোহিত। তিনি ১টি ৪ ও ৫টি ৬ মারেন। সূর্যকুমার যাদব ১ রান করে সাউদির বলে বোল্ড হন। তিন নম্বরে ব্যাট করতে নামা বেঙ্কটেশ আয়ার ১১ বলে ১২ রান করে অপরাজিত থাকেন। ১৭.২ ওভারে ১৫৫/৩ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় ভারত। পরপর দুম্যাচ জিতে নেওয়ায় ইডেনের শেষ ম্যাচ কার্যত নিয়মরক্ষার হয়ে দাঁড়াল।

নভেম্বর ১৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs New Zealand : অভিষেকে বাজিমাত রো-রা জুটির, ৫ উইকেটে জয় ভারতের

অধিনায়ক হিসেবে দারুন শুরু রোহিত শর্মার। সিনিয়র দলের হেড স্যার হিসেবে দুর্দান্ত অভিষেক রাহুল দ্রাবিড়ের। প্রথম ম্যাচেই বাজিমাত রো-রা জুটির। নিউজিল্যান্ডকে ৫ উইকেটে হারিয়ে টি২০ সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ভারত।চোটের জন্য ডেভন কনওয়ে আগেই সিরিজ থেকে ছিটকে গেছেন। টেস্ট সিরিজের কথা মাথায় রেখে টি২০ সিরিজ থেকে বিশ্রাম নিয়েছেন। তা সত্ত্বেও জয়পুরে সিরিজের প্রথম টি২০ ম্যাচে ভারতের বিরুদ্ধে শক্ত চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয় নিউজিল্যান্ড। সেই চ্যালেঞ্জ অবশ্য অবলীলায় অতিক্রম করে গেল ভারত। টস জিতে কিউয়িদের প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান ভারতের অধিনায়ক রোহিত শর্মা। প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় নিউজিল্যান্ড। ম্যাচের তৃতীয় বলে ড্যারিল মিচেলকে শূন্য রানে তুলে নেন ভুবনেশ্বর কুমার। এরপর ব্যাট হাতে দাপট দেখাতে শুরু করেন মার্টিন গাপটিল ও মার্ক চ্যাপম্যান। দুজনে মিলে জুটিতে তোলেন ১০৯ রান। গাপটিল ও চ্যাপমানের দাপটে দিশেহারা হয়ে পড়েন মহম্মদ সিরাজ, রাহুল চাহার, অক্ষর প্যাটেলরা। অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে রবিচন্দ্রন অশ্বিন কিউয়ি ব্যাটসম্যানদের কিছুটা আটকে রাখার চেষ্টা করেন। চতুর্দশ ওভারের দ্বিতীয় বলে মার্ক চ্যাপম্যানকে বোল্ড করেন অশ্বিন। ৫০ বলে ৬৩ রান করে চ্যাপম্যান আউট হন। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৬টি ৪ এবং ২টি ৬। একই ওভারে গ্লেন ফিলিপকে (০) তুলে নেন অশ্বিন। ডিআরএস নিয়েও তিনি বাঁচতে পারেননি। ১১০ রানের মাথায় তৃতীয় উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড।এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান মার্টিন গাপটিল। বাইশ গজে ঝড় তুলে শেষ পর্যন্ত ৪২ বলে ৭০ রান করে আউট হন তিনি। সপ্তদশ ওভারে দীপক চাহারের দ্বিতীয় বলে শ্রেয়স আয়ারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন গাপটিল। নিউজিল্যান্ডের রান তখন ১৫০। পরের ওভারেই ফিরে যান সেইফার্ট (১১ বলে ১২)। তাঁকে ফেরান ভুবনেশ্বর কুমার। ইনিংসের শেষ ওভারে মহম্মদ সিরাজের বলে আউট হন রাচিন রবীন্দ্র (৮ বলে ৭)। শেষদিকে একের পর উইকেট হারানোয় ১৬৪/৬ রানের বেশি তুলতে পারেনি নিউজিল্যান্ড। ভারতের হয়ে ভুবনেশ্বর কুমার ২৪ রানে ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন ২৩ রানে ২টি করে উইকেট নেন।জয়ের জন্য ১৬৫ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে দারুন শুরু করেন ভারতের দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও অধিনায়ক রোহিত শর্মা। ওপেনিং জুটিতে ৫ ওভারে ওঠে ৫০। এরপরই জুটি ভাঙে। ১৪ বলে ১৫ রান করে মিচেল স্যান্টনারের বলে চ্যাপমানের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন লোকেশ রাহুল। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান রোহিত শর্মা ও সূর্য্কুমার যাদব। মাত্র ২ রানের জন্য হাফ সেঞ্চুরি হাতছাড়া করেন রোহিত। ৩৬ বলে ৪৮ রান করে ট্রেন্ট বোল্টের বলে আউট হন তিনি।তিন নম্বরে ব্যাট করার সুযোগ পেয়ে নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরলেন সূর্য্কুমার। ঋষভ পন্থকে সঙ্গে নিয়ে দলকে জয়ের লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান তিনি। ৪০ বলে ৬২ রান করে ট্রেন্ট বোল্টের বলে আউট হন সূর্য্কুমার। ৬টি ৪ ও ৩টি ৬ মারেন তিনি। সূর্য্কুমার আউট হওয়ার পর চাপে পড়ে যায় ভারত। শেষ ওভারে ভারতের জয়ের জন্য দরকার ছিল ১০ রান। ২ বল বাকি থাকতে ১৬৬/৫ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় ভারত।

নভেম্বর ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

TWO World Cup : আফগানদের ৮ উইকেটে হারিয়ে ভারতের সেমিফাইনালের স্বপ্ন শেষ করল কিউয়িরা

নিউজিল্যান্ডআফগানিস্তান ম্যাচের দিকেই তাকিয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীরা। যদি কোনও ভাবে অঘটন ঘটে। ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের প্রত্যাশা পূরণ হল না। রবিবার আবু ধাবিতে ১১ বল বাকি থাকতে আফগানিস্তানকে ৮ উইকেটে হারিয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে দ্বিতীয় দল হিসেবে গ্রুপ ২ থেকে টি২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল নিউজিল্যান্ড। আফগানিস্তানকে কিউয়িরা হারিয়ে দিতেই টি২০ বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয়ে গেল ভারতের। ভারতের সঙ্গে ছিটকে গেল আফগানিস্তানও। নিউজিল্যান্ড জেতায় সোমবার নামিবিয়ার বিরুদ্ধে ভারতের ম্যাচ হয়ে দাঁড়াল নিয়মরক্ষার।রবিবার দ্বিতীয় ম্যাচে পাকিস্তান খেলতে নেমেছে স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে। বাবর আজমের দল যদি স্কটল্যান্ডের কাছে না হারে, তাহলে গ্রুপ ২ থেকে নিউজিল্যান্ড সেমিফাইনালে যাবে দ্বিতীয় দল হিসেবে। সেক্ষেত্রে সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ড খেলবে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে। আর পাকিস্তান মুখোমুখি হবে অস্ট্রেলিয়ার।২০১৯ সালে একদিনের বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরেই ছিটকে গিয়েছিল ভারত। আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালেও কিউয়িদের কাছেই হারতে হয়েছে বিরাট কোহলির দলকে ভারত। টি২০ বিশ্বকাপ থেকেও বিরাট কোহলিদের ছিটকে দিল আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে কেন উইলিয়ামসনদের জয়। টি২০ বিশ্বকাপসহ আইসিসি ট্রফি অধরাই থেকে গেল ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলির কাছে।টস জিতে এদিন নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন আফগান অধিনায়ক মহম্মদ নবি। ৮ উইকেটে ১২৪ রানের বেশি তুলতে পারেনি আফগানরা। ৪৮ বলে সর্বাধিক ৭৩ রান করেন নাজিবুল্লাহ জারদান। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৬টি চার ও ৩টি ছয়। গুলবদিন নঈব ১৫ ও অধিনায়ক মহম্মদ নবি ১৪ রান করেন। ৪ ওভারে ১৭ রানে ৩ উইকেট নেন ট্রেন্ট বোল্ট। দুর্দান্ত বোলিং করে তিনিই ম্যাচের সেরা। টিম সাউদি ৪ ওভারে ২৪ রানে ২ উইকেট নেন। অ্যাডাম মিলনে, জিমি নিশাম, ইশ সোধি ১টি করে উইকেট নেন।ব্যাট করতে নেমে পাওয়ার প্লেতে ১ উইকেট হারিয়ে ৪৫ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। দলের ২৬ রানের মাথায় আউট হন ড্যারিল মিচেল (১২ বলে ১৭)। ৮.৫ ওভারের মাথায় আউট হন মার্টিন গাপটিল। ২৩ বলে তিনি করেন ২৮। এরপর দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন কেন উইলিয়ামসন (৪২ বলে ৪০) ও ডেভন কনওয়ে (৩২ বলে ৩৬)। ১৮.১ ওভারে ১২৫/২ তুলে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে নিউজিল্যান্ড।

নভেম্বর ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup‌: নিউজিল্যান্ডের কাছেও লজ্জার হারে সেমিফাইনালের সম্ভাবনা কার্যত শেষ ভারতের

তাবড় তাবড় বিশেষজ্ঞরা বিরাট কোহলিদের ওপর বাজি ধরেছিলেন। এবারের টি২০ বিশ্বকাপের অন্যতম ফেবারিট হিসেবে। প্রথম দুটি ম্যাচ হেরে সেই দলেরই কিনা সেমিফাইনালের সম্ভাবনা কার্যত শেষ! মেনে নিতে কষ্ট হলেও এটাই বাস্তব। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ৮ উইকেটে হেরে শেষ চারে ওঠার সম্ভাবনা প্রায় শেষ হয়ে গেল ভারতের। সেমিফাইনালে যেতে গেলে বাকি তিনটি ম্যাচে কোহলিদের শুধু জিতলেই হবে না, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ডের হারের দিকেও তাকিয়ে থাকতে হবে। এদিন টসে জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠান নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। ম্যাচের আগের দিন কোহলি বলেছিলেন, টি২০ ক্রিকেটে টস বড় ফ্যাক্টর। কথাটা ভুল বলেননি ভারত অধিনায়ক। আইপিএল থেকে দেখা গেছে দুবাইয়ে বেশিরভাগ ম্যাচে রান তাড়া করা দল জয়ী হয়েছে। এদিনও তার ব্যতিক্রম হল না। দলে প্রথম একাদশে বদল, কম্বিনেশন বদল করেও নিজেদের বদলাতে পারল না ভারত। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে দুটি পরিবর্তন করে মাঠে নেমেছিল ভারত। সূর্যকুমার যাদবের পিঠে হঠাৎ ব্যথা হওয়ায় প্রথম একাদশে ঈশান কিষাণ। ভুবনেশ্বর কুমারের বদলে শার্দূল ঠাকুর। ওপেনিং জুটিতেও বদল। লোকেশ রাহুলের সঙ্গে ওপেনিংয়ে ঈশান কিষাণ। রোহিত শর্মা তিন নম্বরে, চারে অধিনায়ক বিরাট কোহলি। তাতেও শ্রী ফিরল না ভারতীয় ব্যাটিংয়ে। পাকিস্তান ম্যাচে বাঁহাতি বোলারের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যর্থ ভারতীয় ব্যাটাররা। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধেও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। বাঁহাতি জোরে বোলার ট্রেন্ট বোল্ট শুরুতেই তুলে নেন ঈশান কিষাণকে। তৃতীয় ওভারে বোল্টকে তুলে মারতে গিয়ে বাউন্ডারি লাইনে মিচেল স্যান্টেনারের হাতে ধরা পড়েন ঈশান (৮ বলে ৪)। পরের বলেই রোহিত শর্মার ক্যাচ ফেলে দেন অ্যাডাম মিলনে। ষষ্ঠ ওভারে লোকেশ রাহুলকে (১৬ বলে ১৮) তুলে নেন টিম সাউদি। এক ওভার পরেই ইস সোধির বলে আউট রোহিত (১৪ বলে ১৪)। একাদশতম ওভারের প্রথম বলে বিরাট কোহলি (১৭ বলে ৯) আউট হতেই চাপে পড়ে যায় ভারত। সেই চাপ থেকে আর বেরিয়ে আসতে পারেনি। কোহলিকে ফেরান ইস সোধি। দুবাইয়ের উইকেটে বল ব্যাটে আসে। তা সত্ত্বেও ইস সোধি, মিচেল স্যান্টেনারের মতো বোলারদের সামলাতে হিমসিম খেলেন কোহলিরা। ঋষভ পন্থও (১৯ বলে ১২) শট খেলতে ভুলে গেছেন। হার্দিক পানন্ডিয়া (২৪ বলে ২৩) ও রবীন্দ্র জাদেজার (১৯ বলে ২৬) সৌজন্যে শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১১০/৭ তোলে ভারত। দুরন্ত বোলিং করে ৪ ওভাআরে ২০ রান দিয়ে ৩ উইকেট তুলে নেন বোল্ট। ৪ ওভারে ১৭ রান খরচ করে ২ উইকেট নেন ইস সোধি। যত দুর্বল প্রতিপক্ষই হোক না কেন, ১১০ রান হাতে নিয়ে লড়াই করা কঠিন। পারেনি ভারতও। মার্টিন গাপটিল (১৭ বলে ২০) ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠার আগেই তাঁকে সাজঘরে পাঠান যশপ্রীত বুমরা। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান। ড্যারেল মিচেল ও অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। দলের ৯৬ রানের মাথায় মিচেলকে (৩৫ বলে ৪৯) বুমরা তুলে নিলেও কিউয়িদের জয় আটকায়নি। ১৪.৩ ওভারে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় নিউজিল্যান্ড (১১১/২)। ৩১ বলে ৩৩ রান করে অপরাজিত থাকেন কেন উইলিয়ামসন। যশপ্রীত বুমরা ৪ ওভারে ১৯ রান দিয়ে ২ উইকেট তুলে নেন। ভারতের বিরুদ্ধে শুধু ৮ উইকেটে জেতেনি নিউজিল্যান্ড। নেট রান রেটও বাড়িয়ে রেখেছে।

অক্টোবর ৩১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : নিউজিল্যান্ডে বিরুদ্ধে বোলিং করবেন কোহলি?‌ প্রথম একাদশ নিয়ে ধোঁয়াশা ভারতের

রবিবার দুবাইয়ে টি২০ বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলতে নামছে ভারত। এই ম্যাচের ওপর ভারতের সেমিফাইনালের ভাগ্য অনেকটাই নির্ভর করছে। এই রকম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে প্রথম একাদশ নিয়ে ধোঁয়াশা রাখলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি।সবথেকে বড় প্রশ্ন হার্দিক পান্ডিয়াকে নিয়ে। অনেক বিশেষজ্ঞ হার্দিককে নিউজিল্যান্ড ম্যাচে বসানোর দাবি তুলেছেন। পাকিস্তান ম্যাচে কাঁধে চোট পেলেও ভারতীয় দলের এই অলরাউন্ডার ফিট। বুধবার নেটে ব্যাটিংবোলিং করেছিলেন। শনিবারও নেটে পুরোদমে অনুশীলন করেন। নিউজিল্যান্ড ম্যাচে বোলিং করতে পারবেন না বলে কোহলি জানিয়ে দিয়েছেন। তবে হার্দিককে প্রথম একাদশে রাখা হবে কিনা, সে প্রসঙ্গে কিছু বলেলনি ভারতীয় দলের অধিনায়ক।ভুবনেশ্বর কুমারের জায়গায় শার্দুল ঠাকুরকেও খেলানোর দাবি উঠেছে। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগের দিন শার্দুলের ব্যাপারে কোহলি বলেন, শার্দুল ঠাকুরকে খেলানোর বিষয়টি টিম ম্যানেজমেন্টের মাথায় রয়েছে। তবে শার্দুল প্রথম একাদশে থাকবে কিনা, এখনই নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাবে না। তবে ভুবনেশ্বর কুমারেরও পাশে দাঁড়িয়েছেন কোহলি। তিনি বলেন, পাকিস্তান ম্যাচে ব্যর্থতার জন্য একজনকে দায়ি করা ঠিক হবে না। যেসব বোলারদের নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, অতীতে ওরা দলকে বহু ম্যাচে জিতিয়েছে। প্রতিদিন মাঠে নেমে বিপক্ষের সব উইকেট তুলে নেওয়া সম্ভব নয়। পাকিস্তান ম্যাচের ভুলত্রুটিগুলো চিহ্নিত করেছি। ভুল শুধরে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাঠে নামব।টি২০ ক্রিকেটে টস সবসময়ই ফ্যাক্টর। সেকথা মনে করিয়ে দিয়েছেন বিরাট কোহলি। তিনি বলেন, টি২০ ক্রিকেটে টস সব সময়ই গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধেও ফ্যাক্টর হবে। তবে টসে যাইহোক না কেন, দল সব ধরণের পরিস্থিতি মানিয়ে নেওয়ার জন্য তৈরি। পাকিস্তান ম্যাচের পর এক সপ্তাহ বিশ্রাম পেয়েছে ভারত। কোহলির লক্ষ্য, ভুল শুধরে মাঠে নামা। নিউজিল্যান্ডের জন্য পরিকল্পনা তৈরি ভারতীয় শিবিরের। তাঁর বিশ্বাস, মাঠে নেমে পরিকল্পনা সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে পারলে জেতা সম্ভব। নিজে বোলিং করবেন কিনা, সে প্রসঙ্গে কোহলি বলেন, ষষ্ঠ বোলার হিসেবে দুওভার বল করতেই পারি। পাকিস্তান ম্যাচে যদি আমরা আগে ফিল্ডিং করলে দুওভার বোলিং করতাম। কোহলি ধোঁয়াশা রাখলেও ভারতীয় দলে প্রথম একাদশে রদবদলের সম্ভাবনা আছে। ঈশান কিষানকে খেলানো হতে পারে।

অক্টোবর ৩০, ২০২১

ট্রেন্ডিং

দেশ

মেঘালয়ের কয়লাখনিতে বিস্ফোরণ, ধসে চাপা অন্তত ১৬ শ্রমিক, নিখোঁজ আরও বহু

মেঘালয়ের তাসখাই এলাকার একটি কয়লাখনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের জেরে ধস নামল খনির ভিতরে। এই দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৬ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বহু শ্রমিক এখনও নিখোঁজ। তাঁদের অনেকেই খনির ভিতরে আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি বিচার করে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করছেন উদ্ধারকারী দল। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, মৃত শ্রমিকদের অধিকাংশই অসমের বাসিন্দা।দুর্ঘটনার পরেই খনির মুখ থেকে কালো ধোঁয়া বেরোতে শুরু করে। বাইরে থাকা শ্রমিকেরা আতঙ্কিত হয়ে খনির সামনে ভিড় জমান। ঘটনাস্থলে কয়েকজন মহিলা ও শিশুকেও দেখা যায়। জানা গিয়েছে, বিস্ফোরণটি খনির ভিতরেই ঘটে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মেঘালয় পুলিশ। দমকল এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও উদ্ধারকাজে হাত লাগায়। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে উদ্ধার অভিযান।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, খনির ভিতরের পরিস্থিতি অত্যন্ত বিপজ্জনক। সেখানে এখনও দাহ্য গ্যাস জমে আছে কি না, নতুন করে বিস্ফোরণের আশঙ্কা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃত শ্রমিকদের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। অনুমান করা হচ্ছে, খনির ভিতরে দাহ্য গ্যাস জমে আচমকা বিস্ফোরণ হতে পারে। আবার অবৈধ ভাবে বিস্ফোরক ব্যবহারের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তদন্তকারীরা। কারণ যাই হোক, আপাতত নিখোঁজ শ্রমিকদের উদ্ধারে সব রকম চেষ্টা চালাচ্ছে প্রশাসন।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

“বুক ফুলিয়ে বিধানসভায় ঢুকব”—আসন সংখ্যা নিয়ে বড় হুঙ্কার বিজেপির

পরিবর্তন আসন্ন এবং জয় নিশ্চিতএমনই আত্মবিশ্বাসের সুরে কথা বললেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এবার তিনি আরও বড় দাবি করলেন। তাঁর বক্তব্য, গত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি যেখানে ৭৭টি আসন পেয়েছিল, সেখানে এবার সেই সংখ্যা বেড়ে হবে ১৭৭। শুভেন্দুর কথায়, ১৭৭টি আসন নিয়ে বিজেপি বুক ফুলিয়ে বিধানসভায় ঢুকবে।শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, গত নির্বাচনে ৩৯ শতাংশ হিন্দু ভোট বিজেপির পক্ষে গিয়েছিল। এবার সেই হার বেড়ে ৪৫ শতাংশ হবে বলে তাঁর দাবি। হিন্দুদের পাশাপাশি আদিবাসীরাও বিজেপিকে ভোট দেবেন বলেই তিনি আশাবাদী। তাঁর কথায়, বিজেপি এক সময় ৩টি আসন থেকে ৭৭-এ পৌঁছেছিল, এবার সেই ৭৭ থেকে সরাসরি ১৭৭-এ পৌঁছবে দল।তবে শুভেন্দুর এই দাবিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের এক মুখপাত্র বলেন, আগে বিজেপির নেতারা ২০০ আসনের কথা বলেছিলেন, কিন্তু ফল হয়েছিল ৭৭। এবার শুভেন্দু বলছেন ১৭৭। আগের হিসাব ধরলে সংখ্যাটা ৫০-এর নিচেই নেমে যাবে বলে কটাক্ষ করেন তিনি। পাশাপাশি ব্যঙ্গ করে বলেন, শুভেন্দু বুক ফুলিয়ে বিধানসভায় দর্শক হিসেবে ঢুকবেন কি না, সেটাই দেখার। বিধানসভায় দর্শক হিসেবে ঢুকতে হলে বিধায়কের সুপারিশ লাগে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এর মধ্যেই বাংলার রাজনীতিতে আরেকটি বড় পরিবর্তন সামনে এসেছে। আসন্ন বিধানসভা ভোটে কংগ্রেস এবার বামেদের সঙ্গে জোটে যাচ্ছে না। আগের বার জোটের ছবি দেখা গেলেও এবার সেই সমীকরণ ভেঙে গিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নিয়েও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি শুভেন্দু অধিকারী। কংগ্রেস ও তৃণমূলকে একই বন্ধনীতে রেখে তিনি বলেন, মালদহ ও মুর্শিদাবাদে কংগ্রেস মুসলিম ভোট পায়, আর তৃণমূল মুসলিম ভোটের উপর ভর করেই রাজ্য চালাচ্ছে। তবে বিজেপির এসব নিয়ে কোনও মাথাব্যথা নেই বলেই জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য, বিজেপির লক্ষ্য হিন্দু সমাজকে এক করা।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বড় সিদ্ধান্ত কংগ্রেসের, বামেদের ছাড়াই বিধানসভা ভোটে নামছে দল

জোট নিয়ে জল্পনার মধ্যেই কংগ্রেসের একলা চল নীতি নিয়ে বারবার আলোচনা চলছিল। আগেই জানা গিয়েছিল, প্রদেশ কংগ্রেসের একাংশ, বিশেষ করে শুভঙ্কর সরকার ঘনিষ্ঠ শিবির জোট না করার পক্ষেই রয়েছে। আবার প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর শিবির বামেদের সঙ্গে জোট বজায় রাখার পক্ষে ছিল বলেও শোনা যাচ্ছিল। সেই জল্পনার মধ্যেই এবার এল বড় সিদ্ধান্ত।আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় বামেদের সঙ্গে জোট ভাঙার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কংগ্রেস। অর্থাৎ, কোনও জোট নয়, রাজ্যের ২৯৪টি আসনেই এককভাবে লড়াই করবে কংগ্রেস। কংগ্রেস হাইকমান্ডের এই সিদ্ধান্তে বাংলার রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল। এই পরিস্থিতিতে বাংলায় চতুর্মুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনাও জোরালো হচ্ছে।প্রদেশ কংগ্রেসের পর্যবেক্ষক গুলাম মীর জানিয়েছেন, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের সঙ্গে বৈঠকেই এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, এবার দলের কর্মী থেকে সাধারণ মানুষ সকলেই চাইছেন কংগ্রেস একাই লড়াই করুক। তাই ২৯৪টি আসনেই প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, বাম বা অন্য দলের সঙ্গে জোটের ফলে নিচুতলার কর্মীদের মনোবল ভেঙে পড়েছিল। সেই কারণেই জোট না করে এককভাবে লড়াইয়ের পথ বেছে নেওয়া হয়েছে। প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের এই ইচ্ছাকেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব মেনে নিয়েছে বলে জানান তিনি।অন্যদিকে অধীর রঞ্জন চৌধুরী জানিয়েছেন, তিনি দলের একজন কর্মী হিসেবে দল যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটাই মেনে নেবেন। কংগ্রেসের এই সিদ্ধান্তের পর প্রতিক্রিয়া এসেছে বামেদের তরফেও। বাম নেতা বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য খানিক কটাক্ষ করে বলেন, কংগ্রেস একটি স্বাধীন দল এবং এককভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার তাদের রয়েছে। তাঁর ধারণা, এই সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত তৃণমূলকেই সুবিধা করে দেবে।এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। তিনি বলেন, মালদহ ও মুর্শিদাবাদে কংগ্রেস মুসলিম ভোট পায় এবং তৃণমূলও মুসলিম ভোটের উপর ভর করেই সরকার চালাচ্ছে। তবে বিজেপির সে সব নিয়ে কোনও মাথাব্যথা নেই বলেই মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর কথায়, বিজেপির লক্ষ্য হিন্দু ভোটকে এক করা।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
বিদেশ

৫০ বছরের ইতিহাস ভেঙে পরমাণু অস্ত্রে আর কোনও সীমা নেই, বিশ্ব কি পরমাণু যুদ্ধের দিকে?

একের পর এক যুদ্ধে জ্বলছে বিশ্ব। গাজা থেকে ইউক্রেনসব জায়গাতেই সংঘাতের ছায়া ঘনাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আবারও সামনে এল পরমাণু যুদ্ধের আশঙ্কা। বিশ্বের দুই শক্তিধর দেশ আমেরিকা ও রাশিয়া এবার পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতার মুখে দাঁড়াল।বৃহস্পতিবার রাশিয়া ও আমেরিকার মধ্যে শেষ যে পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি ছিল, তার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। গত অর্ধ শতাব্দীরও বেশি সময়ের মধ্যে এই প্রথম দুই দেশের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডারের উপর আর কোনও আইনি সীমা রইল না। নিউ স্টার্ট চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় নতুন করে পারমাণবিক অস্ত্রের প্রতিযোগিতা শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।যদিও গত বছর রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছিলেন, ওয়াশিংটন চাইলে আরও এক বছর তিনি নিউ স্টার্ট চুক্তির নিয়ম মেনে চলতে রাজি। তবে সেই প্রস্তাবে বিশেষ আগ্রহ দেখায়নি আমেরিকা। তখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি ছিল, এই চুক্তিতে চিনকেও যুক্ত করতে হবে। কিন্তু সেই প্রস্তাবে চিন সায় দেয়নি।রাশিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই বিষয়ে তারা চিনের সঙ্গে আলোচনা করেছিল। তবে আমেরিকার তরফে কোনও স্পষ্ট উত্তর মেলেনি। ক্রেমলিনের পরামর্শদাতা ইউরি উষাকভ জানিয়েছেন, বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে রাশিয়া দায়িত্বশীল এবং ভারসাম্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেবে।উল্লেখ্য, ২০১০ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং রাশিয়ার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ নিউ স্টার্ট চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তি অনুযায়ী, দুই দেশকে সর্বাধিক ৭০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও বোমারু বিমান এবং ১,৫৫০টি পারমাণবিক ওয়ারহেডের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে হত। চুক্তির মেয়াদ প্রথমে ২০২১ সালে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও পরে আরও পাঁচ বছরের জন্য তা বাড়ানো হয়েছিল। এবার সেই চুক্তিরও ইতি ঘটল।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
দেশ

অনুপ্রবেশ ইস্যুতে তৃণমূলকে তুলোধোনা, রাজ্যসভায় বিস্ফোরক মোদী

রাষ্ট্রপতির ভাষণের পর রাজ্যসভায় জবাবি ভাষণ দিতে উঠে উত্তাল পরিস্থিতির মুখে পড়লেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ভাষণ শুরু হতেই বিরোধী সাংসদদের তুমুল স্লোগানে সরগরম হয়ে ওঠে রাজ্যসভা। তবে সেই অবস্থার মধ্যেই নিজের বক্তব্য শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। স্লোগান তোলাকে কেন্দ্র করে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গেকে খোঁচা দিয়ে মোদী বলেন, বয়সের কথা মনে রেখে তিনি যেন বসে থেকেই স্লোগান দেন।প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই একাধিক বিরোধী সাংসদ রাজ্যসভা থেকে ওয়াকআউট করেন। সেই বিষয়টিকেও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি মোদী। তিনি বলেন, কিছু মানুষ এত তাড়াতাড়ি ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন, কিন্তু তাঁদেরও একদিন প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। একই সঙ্গে কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী।মোদীর বক্তব্যে উঠে আসে কংগ্রেস আমলের প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, লালকেল্লা থেকে কংগ্রেসের প্রধানমন্ত্রীদের দেওয়া ভাষণগুলি বিশ্লেষণ করলে স্পষ্ট বোঝা যাবে যে তাঁদের কোনও দীর্ঘমেয়াদি ভাবনা ছিল না। সেই কারণেই দেশ বহু বছর পিছিয়ে পড়েছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি। মোদীর দাবি, কংগ্রেসের ভুল সংশোধন করতেই বর্তমান সরকারকে অনেক শক্তি ব্যয় করতে হয়েছে। তাঁর কথায়, বর্তমান সরকার ভবিষ্যতের কথা ভেবেই নীতি তৈরি করেছে এবং আজ দেশ নীতির ভিত্তিতেই চলছে।জবাবি ভাষণের সময় বাংলার প্রসঙ্গও তোলেন প্রধানমন্ত্রী। রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে নির্মম সরকার বলে কটাক্ষ করেন তিনি। রাজ্যসভায় উপস্থিত তৃণমূল সাংসদদের উদ্দেশে মোদীর মন্তব্য, নির্মমতার যত রেকর্ড ছিল, সবকিছুই তারা ভেঙে দিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, বাংলার মানুষের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে, অথচ ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য সেই নির্মমতাকেই প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে।অনুপ্রবেশ ইস্যুতেও তৃণমূল সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী। মোদীর বক্তব্য, সারা পৃথিবীর দেশ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। অথচ তৃণমূল সরকার অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করতে আদালতে যাচ্ছে এবং আদালতের উপর চাপ সৃষ্টি করছে। তাঁর দাবি, এই অনুপ্রবেশকারীরাই যুব সমাজের চাকরি কেড়ে নিচ্ছে এবং আদিবাসীদের জমি দখল করছে। অথচ এসব বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ না নিয়ে তৃণমূল সরকার কেন্দ্রকে উপদেশ দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
দেশ

তুষারে ঢাকা পাহাড়ে এনকাউন্টার, কিস্তওয়ারে খতম পাক জঙ্গি আদিল

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের জম্মু-কাশ্মীর সফরের আগেই বড় সাফল্য পেল নিরাপত্তাবাহিনী। কিস্তওয়ার ও উধমপুরে পৃথক সংঘর্ষে জইশ-ই-মহম্মদের তিন জঙ্গি নিহত হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন আদিল, যাকে দীর্ঘদিন ধরে খুঁজছিল নিরাপত্তাবাহিনী। বাহিনী সূত্রে জানা গিয়েছে, আদিল পাকিস্তানের নাগরিক এবং জঙ্গি সংগঠন লস্করের শীর্ষ নেতা সইফুল্লার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিল।নিরাপত্তাবাহিনী সূত্রে খবর, গত ১৮ মাস ধরে আদিলকে ধরার চেষ্টা চলছিল। একাধিকবার অভিযান হলেও সে প্রতিবারই পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল। বুধবার সন্ধ্যায় কিস্তওয়ার জেলার তুষারাবৃত চাতরু এলাকায় নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। এলাকা ঘিরে ফেলে গুলির লড়াইয়ের পর আদিলকে খতম করা হয়। এক নিরাপত্তা আধিকারিক জানান, প্রায় ২০ বার ধরা পড়ার মুখ থেকেও পালিয়ে গিয়েছিল আদিল, তবে এবার আর রেহাই পায়নি।এর আগে বুধবার সকালেই উধমপুর জেলায় একটি গুহায় আটকে পড়া জইশের দুই কমান্ড্যান্টের মৃত্যু হয়। ওই দুই জঙ্গির নাম রুবানি ওরফে আবু মাভিয়া এবং তার সহযোগী জুবায়ের। বাহিনীর সঙ্গে প্রায় ২০ ঘণ্টা ধরে তাদের গুলির লড়াই চলে। সকালে গুহার ভিতর থেকে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। পরে দেখা যায়, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে রয়েছে ওই দুই জঙ্গির দেহ।এই অভিযানে একটি এম-৪ কার্বাইন, একটি একে অ্যাসল্ট রাইফেল, তিনটি গ্রেনেড এবং বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানে কাউন্টার ইনসার্জেন্সি ফোর্স ডেল্টা, হোয়াইট নাইট কোর, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং সিআরপিএফ যৌথভাবে অংশ নেয়।আদিল নিহত হওয়ার পর এবার লস্কর নেতা সইফুল্লার খোঁজে তল্লাশি আরও জোরদার করা হয়েছে। বাহিনী সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় দুই বছর আগে পাকিস্তান থেকে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢোকে সইফুল্লা। এরপর কিস্তওয়ার ও দোদা এলাকায় একাধিক জঙ্গি হামলার সঙ্গে সে জড়িত বলে অভিযোগ। এখনও উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় ড্রোনের সাহায্যে নজরদারি চালানো হচ্ছে এবং তল্লাশি অভিযান চলছে।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বেগুনি মিছিলের প্রভাব? বাজেটে বাড়ল আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সাম্মানিক

ভোটের মুখে রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেটে আবারও জনমুখী সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। এর আগে রাজ্যজুড়ে আশা কর্মী এবং অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী-সহায়িকাদের বেগুনি মিছিল নজর কেড়েছিল। সেই আন্দোলনের প্রেক্ষিতেই তাঁদের সাম্মানিক বাড়ানোর ঘোষণা করা হল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। ভোটের আগে শেষ বাজেটে কার্যত কল্পতরু হয়ে উঠেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বৃহস্পতিবার বিধানসভায় বাজেট পেশের সময় রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য জানান, ২০২৬ সালের এপ্রিল মাস থেকে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও অঙ্গনওয়াড়ি সহায়িকাদের মাসিক সাম্মানিক আরও ১ হাজার টাকা করে বাড়ানো হবে। একই সঙ্গে আশা কর্মীদের সাম্মানিকও বাড়ানোর কথা ঘোষণা করা হয়েছে। চলতি বছরের এপ্রিল মাস থেকেই আশা কর্মীরা মাসে অতিরিক্ত ১ হাজার টাকা করে পাবেন।শুধু সাম্মানিক বৃদ্ধি নয়, আশা কর্মীদের জন্য আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধার কথাও জানানো হয়েছে। রাজ্যের অন্যান্য সরকারি কর্মীদের মতোই এবার থেকে আশা কর্মীরাও ১৮০ দিনের মাতৃত্বকালীন ছুটির সুবিধা পাবেন। এই সিদ্ধান্তকে বড় স্বস্তি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।এছাড়াও অকাল মৃত্যুর ক্ষেত্রে আর্থিক সুরক্ষার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী জানান, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও সহায়িকার অকাল মৃত্যু হলে তাঁদের পরিবার বা নিকট আত্মীয়কে এককালীন ৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে আশা কর্মীদের ক্ষেত্রেও।উল্লেখ্য, গত ২৩ ডিসেম্বর থেকে কর্মবিরতিতে রয়েছেন রাজ্যের আশা কর্মীরা। জানুয়ারি মাসের শেষ দিকে কলকাতা-সহ রাজ্যজুড়ে তাঁরা আন্দোলনে নামেন। একাধিক দাবিকে সামনে রেখেই এই আন্দোলন শুরু হয়। যদিও মাতৃত্বকালীন ছুটি ও অকাল মৃত্যুর ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করা হলেও, মূল সাম্মানিক সংক্রান্ত দাবি এখনও পুরোপুরি মেটেনি বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।বর্তমানে আশা কর্মীদের মাসিক সাম্মানিক ৫২৫০ টাকা। আগামী এপ্রিল মাস থেকে তা ১ হাজার টাকা বেড়ে হবে ৬২৫০ টাকা। তবে ন্যূনতম মজুরি বাড়ানোর দাবি এখনও মঞ্জুর হয়নি।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

লক্ষ্মীর ভান্ডার বাড়ল, যুবদের মাসে ১৫০০ টাকা—বাজেটে একের পর এক চমক মমতার

৫ ফেব্রুয়ারি রাজ্য বিধানসভায় রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করলেন স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। এই বাজেটে একের পর এক জনমুখী ঘোষণা করে কার্যত কল্পতরুর মতোই ধরা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মহিলাদের জন্য একাধিক প্রকল্পের পাশাপাশি রাজ্যের যুব সমাজের জন্যও বড় ঘোষণা করা হয়েছে।এই বাজেটে লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে বড়সড় সুখবর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা মাসে ৫০০ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। ফলে যাঁরা এতদিন মাসে ১ হাজার টাকা করে পেতেন, তাঁরা এবার থেকে পাবেন ১ হাজার ৫০০ টাকা। আর তফসিলি জাতি ও তফসিলি উপজাতিভুক্ত মহিলারা পাবেন মাসে ১ হাজার ৭০০ টাকা করে। কন্যাশ্রী প্রকল্পও আগের মতোই চালু থাকবে বলে জানানো হয়েছে।এবার রাজ্যের বেকার যুবদের পাশে দাঁড়াতে নতুন যুব-সাথী প্রকল্প চালুর কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য রাজ্যে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো এবং কাজ না পাওয়া যুবদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া। আগামী ১৫ অগস্ট, স্বাধীনতা দিবস থেকেই এই নতুন প্রকল্প চালু হবে বলে জানানো হয়েছে।জানা গিয়েছে, মাধ্যমিক পাশ করা যুবক-যুবতীরাই এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। বয়স হতে হবে ২১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। যাঁরা এখনও কোনও চাকরি পাননি, তাঁদের প্রতি মাসে ১ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা দেবে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, যুব-সাথী প্রকল্পে টানা পাঁচ বছর ধরে এই টাকা দেওয়া হবে এবং প্রায় ৩০ লক্ষ যুবক-যুবতী এই প্রকল্পের আওতায় আসবেন।এছাড়াও এবারের বাজেটে আশা কর্মী ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের ভাতাও বাড়ানো হয়েছে। তাঁদের মাসিক ভাতা ১ হাজার টাকা করে বৃদ্ধি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে এই অন্তর্বর্তী বাজেটে মহিলা, যুব সমাজ এবং প্রান্তিক মানুষের জন্য একাধিক আর্থিক সুবিধার ঘোষণা করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal